সুনামগঞ্জ পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে ঢুকে একজন চিকিৎসকের ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত চিকিৎসককে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শহরের আনিসা হেলথ কেয়ার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বিকাল চারটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আহত চিকিৎসকের নাম গোলাম রব্বানী সোহাগ (৩০)। তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মো. রায়হান উদ্দিন।
আহত চিকিৎসক বিভিন্ন গনমাধ্যম কে জানান, তিনি বিকেলে ক্লিনিকে কাজ করছিলেন। এ সময় রায়হান উদ্দিন আলট্রাসনোগ্রাম কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন ভিতরে একজন নারীর আলট্রাসনোগ্রাম করছিলেন তিনি। এ জন্য রায়হানকে দরজার সামনে থেকে সরে যেতে অনুরোধ করেন। তখন রায়হান তার সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন। এ সময় ক্লিনিকের অন্যরা তাকে শান্ত করেন। পরে রায়হান উদ্দিন তার স্ত্রীর আলট্রাসনোগ্রাম শেষে চলে যান।
তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর রায়হান উদ্দিন আরেকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে তার কক্ষে ঢুকেন। চেয়ারে বসে চিকিৎসককে আগের ঘটনার জন্য ‘সরি’ বলতে বলেন রায়হান ও ওই যুবক। তিনি সরি বলতে অপারগতা প্রকাশ করার এক পর্যায়ে দুজন মিলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। তখন তিনি মেঝেতে পড়ে যান। তখন তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর তিনি চিৎকার দিলে ক্লিনিকের অন্যরা ছুটে আসেন। তখন রায়হান ও তার সঙ্গে থাকা যুবক সেখান থেকে চলে যান।
সন্ত্রাসী নিজেই পরে তার ফেসবুক আইডিতে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দিয়ে বলেছেন,তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে ওই ক্লিনিকে গিয়েছিলেন। আলট্রাসনোগ্রাম কক্ষের সামনে তারা দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে সেখানে দায়িত্বে থাকা একজনের সঙ্গে কথা বলতে গেলে ওই ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে তার ওপর আক্রমণ করেন।পরে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়েছে।
সামান্য কারণে এভাবে একজন ডাক্তারকে ছুরিকাহত করার মানে কি?আর কাদের দ্বারা সম্ভব এসব সেটাও দেশের মানুষ জানে।আজকে তাদের হাতে একজন ডাক্তার'ও নিরাপদ নয়।