বগুড়ার শিবগঞ্জে ধারের টাকা শোধ করতে না পারায় স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেছে সন্ত্রাসীরা। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মোকামতলা বন্দরে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনের অফিসে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর বাড়ি গোবিন্দগঞ্জের ফাঁসিতলা এলাকায়। তাঁর স্বামী পেশায় দিনমজুর। তিন মাস আগে মামলার বাদী আসামি আজাহার আলীর কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা ধার নেন। আজাহার সম্প্রতি টাকা ফেরত দিতে তাদের চাপ দিচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবারও টাকা দিতে না পারায় আসামিরা ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে গোবিন্দগঞ্জের কুমারগাড়ী এলাকা থেকে জোর করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে মোকামতলা বন্দরের ওই অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে গৃহবধূর স্বামীকে একটি ঘরে আটকে রাখে। এরপর ওই গৃহবধূকে অন্য ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। পরে স্বামী-স্ত্রীকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয় অভিযুক্তরা।
তথাকথিত লাল স্বাধীনতার নামে এভাবেই চলছে বাংলাদেশ।অবৈধ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আওয়ামী লীগ নিপীড়ন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে আছেন।কিভাবে দেশের নিরাপত্তা দিবেন ?
আজ সারাদেশে কোনো নারীই নিরাপদে নেই।যখন তখন হচ্ছে ধর্ষণ।মা বোনদের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ এই ইন্টেরিম সরকার।ক্ষমতায় আসার পর শুধু কিভাবে আওয়ামীলীগ ধরে ধরে ম্ব সৃষ্টি করে মারা যায় সেই কাজে ব্যস্ত সরাষ্ট্র উপদেষ্টা মহল।

