বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানী—বাংলার গৌরবের প্রতীক।
আজ জাতি স্মরণ করছে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি, বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজন এবং বিজয়ের প্রতিনিধিত্বকারী জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর জন্মবার্ষিকী।
১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সিলেটের দারগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন স্বাধীনতার প্রধান সেনাপতি জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে দীর্ঘ কর্মজীবনের পর বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে তিনি যোগ দেন স্বাধীনতার আন্দোলনে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ওসমানী গ্রহণ করেন প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব। তাঁর নেতৃত্বেই গড়ে ওঠে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত মুক্তিবাহিনী, সংগঠিত হয় গেরিলা যুদ্ধ। কৌশলী পরিকল্পনা, দৃঢ় নেতৃত্ব ও অদম্য সাহসিকতার মাধ্যমে তিনি মুক্তিকামী বাঙালিকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নেন।
জেনারেল ওসমানীর অবদান শুধু সামরিক নেতৃত্বেই সীমাবদ্ধ ছিল না; তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক লড়াইয়েরও গুরুত্বপূর্ণ মুখপাত্র। তাঁর প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের কারণেই মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত রূপ পায় এবং ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।
জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে স্বাধীনতার প্রধান সেনাপতি জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীকে—যাঁর নাম উচ্চারণ মানেই বিজয়ের স্মৃতি ও স্বাধীনতার চেতনা জাগ্রত করা।

