“শেখ হাসিনা — যিনি সত্যের দিকে ছিলেন, আজ সবাই সেটাই বলছে”
একসময় মোল্লারা বলতো শেখ হাসিনা থাকলে দেশটা ধর্মহীন হয়ে যাবে।
চাঁদাবাজরা বলত, শেখ হাসিনার কারণেই দেশে মুক্তচিন্তার কণ্ঠ রুদ্ধ হচ্ছে। সবাইকে নাকি সে গলা টিপে ধরছেন!
আজ, এক বছরের ব্যবধানে দৃশ্যপট বদলে গেছে।
এখন মৌলবাদীরাও বলছে— দেশের ভারসাম্য এবং সবার বাংলাদেশকে রক্ষা করতে শেখ হাসিনাই ঠিক ছিলেন।
চাঁদাবাজরাও বলছে— এই অন্ধকারে আলো জ্বালানোর মতো একজন সাহসী নেত্রী, তিনি-ই ছিলেন।
আর সাধারণ মানুষ?
তারা বলছে— দুই দিক থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য শেখ হাসিনাই ঠিক ছিলেন।
গত জুলাই থেকে এই জুলাই পর্যন্ত সময়টা ছিল সত্য উন্মোচনের।
এক বছরের ব্যবধানে জাতি বুঝতে শিখেছে— কে মিথ্যা বলেছে, কে নাটক করেছে, আর কে নীরবে জাতির বোঝা কাঁধে তুলে নিয়ে এগিয়ে গেছেন।
৫ আগস্টের পর থেকে যেভাবে দেশের ভিতর-বাহিরে জনসমর্থনের ঢল নেমেছে, তা স্পষ্ট করে বলছে— শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা এখন নতুন উচ্চতায়। দিন দিন সেটা উঁচু থেকে উচ্চতর হচ্ছে।
এখন আর প্রোপাগান্ডা দিয়ে তাকে থামানো যাবে না।
এখন আর মুখে মুখে সত্য চাপা দেওয়া যাবে না।
এখন মানুষ বলছে—
“শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। বাংলাদেশে তার জায়গা কেউ পূরণ করতে পারবে না।”
সুষ্ঠু ভোট হলে আওয়ামী লীগ ১৭০ নয়, ২৫০-এর বেশি আসন নিশ্চিতভাবেই পাবে। সেটা অনায়াসেই।
আর যারা এখনো ষড়যন্ত্রে মত্ত, তারা যত দেরি করবে— এই সংখ্যাটা ততই বাড়বে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার প্রাসঙ্গিকতা এখন শুধু রাজনৈতিক প্রশ্ন নয়।
এটা এখন জাতির বেঁচে থাকার প্রশ্ন, ভবিষ্যতের প্রশ্ন।
তাকে ছাড়া এই জাতির পথ হারিয়ে ফেলবে বলেই সবাই আজ উপলব্ধি করছে।
শেখ হাসিনা ঠিক ছিলেন, আছেন, এবং থাকবেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেবক। তিনি চিরকালের এ জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্বপ্নপূরণীয়া। তিনি আসবেন আবার। এ জাতির ললাটে যে অন্ধকার অমানিশা লেগেছে, শেখ হাসিনা আবার তাঁর আলোর বিচ্ছুরণে সব আলোয় আলোয় ভরিয়ে দেবেন।

