জনগণের ঘামঝরা টাকায় এরা বিদেশে ভুয়া সম্মেলন আর ফাইভ স্টার হোটেলের বিল মেটায়—এরা রাষ্ট্রনেতা নয়, ভাড়াটে চোর!
বিদেশ সফরের নামে আসল খেলা—অর্থ পাচার এটাই অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের আসল উন্নয়ন!বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের ঘনঘন বিদেশ সফর নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। সরকারি নথি বলছে, মাত্র ১৪ মাসে ১৩ বার বিদেশ সফর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তার সাথে উপদেষ্টারা, বিশেষ সহকারীরা, এমনকি অপ্রাসঙ্গিক কর্মকর্তারাও নিয়মিত বিদেশ সফরে অংশ নিচ্ছেন।
এই সফরের আসল উদ্দেশ্য কী? জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক কোনো বড় সম্মেলনে কেবল কয়েকজনের প্রয়োজন হয়, অথচ শতাধিক মানুষ বিদেশ সফরে যোগ দিচ্ছে। বিদেশ সফরের নামে আসলে চলছে অর্থ পাচার, পারিবারিক ভিজিট আর বিলাসবহুল জীবনযাপন।
অনেক উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীর বিদেশে বাড়িঘর, পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। “এরা বিদেশে না গেলে আত্মীয়-স্বজনদের সাথে দেখা করবে কীভাবে? তাই জনগণের করের টাকায় বিদেশ সফরই তাদের সুযোগ।”
টিআইবি ইতোমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে—একশোরও বেশি মানুষের এমন বহর পাঠানোর যৌক্তিকতা কোথায়? আর সাবেক আমলারা বলেছেন, “এটা কূটনীতি নয়, পিকনিক সফর!
এদিকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক সংকট, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীনতা, সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন এবং শিল্প-কারখানার ধ্বংসযজ্ঞ চললেও উপদেষ্টা সরকার তার নির্দেশনাই মানছে না। গত বছর বিদেশ সফর সীমিত করার জন্য ১৩ দফা নির্দেশনা জারি হলেও, সেই নির্দেশনার ধারেকাছেও যায়নি তারা।
দেশের ভেতরে যখন হাজার হাজার মানুষ বেকার, শিল্প ধ্বংস, দ্রব্যমূল্যের আগুনে মানুষ দিশেহারা—তখন এই সরকার বিদেশ সফরের নামে কোটি কোটি টাকা উড়িয়ে দিচ্ছে। এটা কোনো অন্তর্বর্তী সরকার নয়, এটা আসলে “অর্থপাচারী উপদেষ্টা সিন্ডিকেট”।
এরা রাষ্ট্রকে বন্দি করেছে, জনগণের টাকায় বিলাসিতা করছে, আর বিদেশে অর্থ পাচার করে ভবিষ্যতের নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলছে।

