বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মকিমাবাদ গ্রামে চরাদি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ডাকুয়া পুরনো কবরস্থানের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। সম্পত্তি জবরদখলের হাত থেকে রক্ষায় জেলা প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন জমির মালিক রুস্তুম আলী হাওলাদার। এরপরই প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরসহ দেখে নেয়ার হুমকির ঘটনায় রুস্তুম আলী হাওলাদারের ছেলে কবির হাওলাদার পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
এ ঘটনায় রুস্তুম আলী হাওলাদার বরিশালের বিজ্ঞ বাকেরগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করেছেন।
মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের রুস্তুম আলী হাওলাদার ২০২১ সালে তার স্ত্রী ফরিদা বেগমের নামে নিজবাড়ির সামনে ৯৪ নং মকিমাবাদ মৌজায় ১৩৭নং খতিয়ানে ললিত বেপারীর কাছ থেকে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। তারও ২৫-৩০ বছর আগে ফারুক হাওলাদারের কাছ থেকে একই দাগে ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করে পুকুর খনন করিয়া চতুর্পাশে বৃক্ষরোপণ করে ভোগদখল করেন। ওই জমির পাশে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে তার পিতা-মাতা ও দুই নাতিকে দাফন দেয়া হয়েছে।
মো. কবির হোসেন হাওলাার জানান, তাদের পুরোনো কবরস্থানসহ ৩২ শতাংশ জমি জবর-দখলে উঠেপড়ে লেগেছে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত চরাদি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জাকির ডাকুয়া। গত কয়েকদিন আগে বিএনপি নেতা জাকির হোসেন ডাকুয়ার নির্দেশে তার লোকজন ২০-২৫ জনের একটি চক্র জমিতে রোপনকৃত গাছপালা কেটে কবরস্থানে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে আশপাশের জমি দখলের সঙ্গে কবরস্থানটিও দখলে নিতে প্রচেষ্টা চালায়। তার বৃদ্ধ পিতা রুস্তম আলী হাওলাদাররা দখলকাণ্ডে বাঁধা দিতে গেলে ভূমিদস্যুরা তাদের বিভিন্নভাবে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।

