নোয়াখালীর কবিরহাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মো. কামাল খানের মাকে নামাজরত অবস্থায় কুপিয়ে জখম, ইসলামিস্ট থেকে সরকার সবাই নিরব।
হোসনেয়ারা বেগম মরিয়ম (৮৫) কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কামাল কোম্পানীর বাড়ির মো. আবুল কাশেমের স্ত্রী ও একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মো. কামাল খানের মা। মঙ্গলবার (১ জুলাই) মাগরিবের নামাজের সময় তিনি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন। হামলার সময় বাড়িতে তিনি একাই ছিলেন। এসময় বাড়ি তছনছ করে নগদ টাকা, বৃদ্ধার শরীরে থাকা স্বর্ণের তাবিজ ও অন্যান্য স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল লুটে নেয় হামলাকারীরা৷
ভুক্তভোগীর ছেলে হামলা বাড়িতে হামলা হবে বলে হুমকি পাচ্ছিলেন বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আমাদের বাড়িতে #হামলা হবে বলে শুনছিলাম। আজকে হামলা, ডাকাতি,লুটপাট সবই হয়েছে। আমার বৃদ্ধ মাকে তারা কুপিয়ে জখম করেছে। আমার ভাই আওয়ামী লীগের উপজেলা কোষাধ্যক্ষ ছিলেন এবং আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। ৫ আগস্টের পর তিনি এলাকায় নেই কিন্তু আমাদের বাড়িতে একাধিকবার হামলার চেষ্টা হয়েছে।
এ হামলাকারী কারা? নামাজরত অবস্থায় একজন মুসলমান নারীর উপর এই নৃশংস হামলার কোন প্রতিবাদ আসেনি ইসলামিস্টদের পক্ষ থেকে। তবে কি ইসলামিস্টরা শুধু ক্ষমতার মোহে ইসলাম রক্ষায় লোক দেখানো সরব আর বাকি সময় অন্যায়ের পক্ষ নিয়ে নিরবতা পালন করতেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন? যথারীতি হামলাকারীদের সাপোর্টার সরকারের নিরবতাও উল্লেখযোগ্য৷ হামলার পূর্বাভাস থাকা স্বত্তেও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা বিধান করা হয় না, ধরা হয়না হামলাকারীদের, হয় না সুবিচার।

