চাঁদা না দেওয়ায় নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আহম্মদপুর বাজারের ১০টি দোকানঘরে তালা লাগিয়ে দখলে নেওয়ার অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের ৪ নেতার বিরুদ্ধে।
বড়াইগ্রাম থানা সূত্র জানায়, উপজেলার নওপাড়া গ্রামের কোরবান আলী, শাহ আলম ও মোতালেব হোসেন আহম্মদপুর বাজারে জমি কিনে ১০টি দোকানঘর নির্মাণ করেন। তাঁদের নামে এসএ এবং আরএস খতিয়ান আছে। প্রায় ৭০ বছর ধরে তাঁরা ওই জমি ভোগদখলে আছেন এবং নিয়মিত খাজনা দিয়ে আসছেন। গতকাল বেলা ১১টার দিকে রুহুল আমিন, আজিমুদ্দিন, হায়দার আলী, মুজিবর রহমানসহ ৪০-৫০ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে বাজারে গিয়ে দোকানপ্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে চাঁদা দেওয়ার জন্য কোরবান আলীদের হুমকি দেন। তাঁরা রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ১০টি দোকানঘরে তালা লাগিয়ে দখলে নেন।দোকান না ছাড়লে ব্যবসায়ীদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী মোতালেব হোসেন দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম কে জানান, ‘উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি আবদুল মালেক আমাদের প্রতি দোকান বাবদ মাসিক পাঁচ হাজার টাকা করে চাঁদা ধার্য করে দেন। আমরা তাতে রাজি হইনি। কারণ, আমরা এসব দোকানের জমি ৭০ বছর ধরে ভোগদখল করছি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁরা আমাদের দোকানগুলোতে তালা দিয়ে দেন।
৫’ই আগষ্টের পরবর্তীতে দেশের প্রায় সব যায়গায় এভাবেই চলছে ভোগ,দখলের কাজ।এখন আর এটা বলার অপেক্ষা রাখে না কিভাবে দেশের জনগণ কে জিম্মি করে চলছে এই ভোগ নৈরাজ্য।

